মাত্র ১০টি অভ্যাস,দক্ষ মা হতে এগিয়ে যান আরেক ধাপ।
লিখেছেন ShopnoKotha, জানুয়ারি ২, ২০১৭ ৭:৫৬ অপরাহ্ণ

30889946_m_by_yana8nurel6bdkbaik-d64u4ds

বলছি নতুন মায়েদের কে,আপনার বছরটা শুরু করুন ইতিবাচক চিন্তা এবং শ্রমের তুলনায় দ্বিগুণ ফলাফলের মাধ্যমে। কিভাবে? 

খুব সহজ। হতে পারে ২০১৬ সালটা আপনার জন্যে অনেক বেশি কার্যকর ছিলো না কিন্তু ২০১৭সাল তার চেয়ে বেশি কার্যকরী হতে পারবে না তার গ্যারান্টি কি? নিশ্চয়ই আপনার নেতিবাচক মনটা তার গ্যারান্টি দিতে চাইছে! একদমই পাত্তা দিবেন না।আপনার প্রতিদিনকার কাজ গুলোকে আরেকটু গুছিয়ে করলেই দেখবেন সহজেই সম্ভব হচ্ছে,আপনার নতুন দিন গুলোকে আগের তুলনায় বেশি কার্যকর করা। কিভাবে সেই গোছানোর কাজ গুলো  করবেন,তার জন্য রইলো কিছু টিপস। চলুন দেখা যাক- 

AAEAAQAAAAAAAALZAAAAJGFjNDI3ZWE5LTIxNTEtNGQwNy1iOGYzLTM4ZTI4NjU2NzI1Mw

১। একটু আগে ঘুম থেকে উঠুনঃ 

হয়তো নতুন মা হয়েছেন,বাবু সারা রাত জেগে থাকে আর সকালে ঘুমায় কিংবা পরিবারের বাকী সদস্যরা একটু বেলা করে ঘুমায়। তাই বলে ভাববেন না,সেই সময়টা আপনার ও উচিত ঘুমানো। চেষ্টা করুন ভোরের পুরো সময়টা একেবারে না ঘুমিয়ে কিছু সময় কাজ করার।এই সময়টা নিজের জন্য বরাদ্দ করতে পারেন। প্রেয়ার,ব্যায়াম সেই সাথে হালকা নাশতা করে নিজের শারিরিক ক্লান্তি ভাব দূর করতে পারেন। ক’দিন পরেই দেখবেন,আপনার সন্তানও এই রুটিন ফলো করছে। 

13

২। লিখে ফেলুন নিত্যদিনের কাজ গুলোঃ 

খুব ভালো হয় যদি আগের দিন রাতেই লিখে ফেলতে পারেন আজকের দিনের কাজগুলো। লিখতে হয়তো ইচ্ছে হবে না কিন্তু তবুও চেষ্টা করুন। এখন এপসের যুগে হোম ম্যানেজমেন্ট এর সাহায্যকারী অনেক রকমের এপস পাওয়া যায়,সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।করবো,করতেই হবে,করাতে হবে এভাবে ভাগ করে নিয়ে কাজ গুলো সময় ধরে সাজালে দেখবেন অনেক সময় বেঁচে যাবে। 

৩। মনে পড়ার সাথে সাথেই করে ফেলুনঃ

অনেকদিন হলো কাবার্ডের কাপড় গুলো গোছানো হয় না,খুলে দেখলেন সব গুলো তাক এখনো অগোছালো হয়নি,কিছু হয়েছে। ব্যস,দেরি না করে সাথে সাথেই চেষ্টা করুন গুছিয়ে ফেলতে,সব গুলো একদিন বসে একবারে গোছাবো এই মানুষিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। 

Carevium-Adult-Day-Care-Software-Overview-495x400

৪। টেকনোলজির সাথে নিজের কাজ কে আপডেট করতে শিখুনঃ

এখন প্রযুক্তি আপ্রাণ চেষ্টা করছে সময় বাঁচিয়ে কাজের পরিমাণ বেশি করাতে,কঠিন কাজ গুলো সহজে করাতে সেই সাথে আবার সময়ের অপচয়ও শেখাচ্ছে। কিন্তু একজন প্রোডাক্টিভ মা এবং সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীলা হতে চাইলে আপনাকে সময় বাঁচাতে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে শিখতে হবে,অপচয় করতে না। 

৫।সময়ানুবর্তী হবার আপ্রাণ চেষ্টা করুনঃ

আমরা ছাত্র জীবন থেকেই সময়ানুযায়ী কাজ করার প্র্যাক্টিস করে থাকি কম বেশি। কিন্তু সংসারে এসে কেন জানি সময় অনুযায়ী কাজ করতে কষ্ট হয়! অনেক সময় অন্যের কাজ ঘড়ি ধরে করা হয় কিন্তু নিজের বেলায় আর হয় না। সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন,সময় ধরে এবং সময় অনুযায়ী কাজ গুলো করতে। মনে রাখবেন,সময় মেইনটেন করা মানে অস্থিরতা নয়,আবার সময় কে অবহেলা করাও লাভজনক নয়।  

৬। অনেক ব্যস্ত থাকা মানেই অনেক কাজ করা নয়ঃ আমরা ধরেই নেই,খুব বেশী প্রোডাক্টিভ মায়েরা খুব বেশিই ব্যস্ত থাকেন। যে যতো বেশি ব্যস্ত তার কাজও ততো বেশি হয় বুঝি! ভুল ধারণা। 

বিখ্যাত হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ সম্প্রতি এক গবেষনায় দেখেছে,যে কাজ গুলো ব্যস্ততা নিয়ে করা হয় সেগুলোই বেশির ভাগ অপচয় হয়। সময়-শ্রম দু’টোই নষ্ট হয়। তাই কাজ করুন গুছিয়ে,কাজের গুরুত্ব বুঝে। খানিকটা অবকাশ আর কাজ শেষ করার মানসিকতা কাজে সফলতা আনতে সাহায্য করে। 

spend-time-with-family

৭। নিজের এবং পরিবারের ছোট্ট আনন্দটা কেও উপভোগ করতে শিখুনঃ

আপনি যা ই করছেন তা পরিবারের জন্যেই করছেন। তাই আপনার ছোট্ট অর্জনটা কে ও পরিবারের সাথে সেলিব্রেট করুন। অন্যদের আনন্দ গুলো নিজের আনন্দের সাথে উপভোগ করুন। 

৮। সারা দিনের মধ্যে একটু সময় নিজের জন্যে আলাদা করুনঃ

সকাল-রাত এই পুরো সময়ের মাঝামাঝি তে চেষ্টা করুন একটা চা-কফি ব্রেক নিতে। কিছুটা সময় নিয়ে আরাম করে খেতে খেতে পরবর্তী কাজের লিস্ট বা বাকী রয়ে যাওয়া কাজ গুলো কিভাবে শেষ করবেন চিন্তা করুন। 

বিজনেস ইনসাইড রিপোর্ট করেছে,দিনের মধ্যভাগের সেই ব্রেক টাইমে চেষ্টা করবেন কোন নেগেটিভ চিন্তা না করতে,নিজেকে নিজেই মোটিভেট করবেন পরবর্তী কাজ গুলো সুষ্ঠভাবে শেষ করতে। 

৯।ঘরে বসেই বাইরের কাজ গুলো করে ফেলার চেষ্টা করুনঃ

অনেক সময় দেখা যায় মাত্র ১/২টা কাজের জন্য বাইরে যেতে হচ্ছে,ফলে আসা-যাওয়া মিলিয়ে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। চেষ্টা করুন কাজটা বাসায় বসেই সম্পন্ন করতে। বিভিন্ন বিল দেয়ার কাজ গুলো আজকাল বাসায় বসেই করা যায়,কিভাবে করা যায় তার জন্য সাহায্য নিন উন্নত প্রযুক্তির। 

১০। সব সময় এক সাথে অনেক কাজ করবেন নাঃ সময়ের তুলয়ায় কাজ বেশি তাই বলে এক সাথে অনেক কাজের বোঝা নিয়ে কোন লাভ নেই। একাধিক কাজ করার চাইতে কিছু কাজ সময় নিয়ে মনোযোগের সাথে শেষ করুন। এটাই ভালো। হতে পারে,সপ্তাহে এক দিন সময়,তাই এক সাথে সব দিকের আত্নীয় বাসায় দাওয়াত দিলেন,ফলে এতো কাজ করতে হলো যে বাকী দুদিন আর নড়তে পারছেন না। তারচেয়ে বরং সময় নিয়ে সবার সাথে যোগাযোগ রাখুন তারাও খুশী হবে আপনার ও সময় বাঁচবে। একদিনে একাধিক দাওয়াত-রোগী দেখার কাজ না করে,সপ্তাহ ভাগ করে কাজ গুলো করুন। 

মূল লেখক- Jillianne Viel E. Castillo. 

সূত্র- স্মার্ট প্যারেন্টিং ডট কম। 

অনুবাদ- স্বপ্নকথা। 

 

পোস্টটি ১৯০৯০ বার পঠিত
 ০ টি লাইক
১৪৮ টি মন্তব্য

Leave a Reply

43 Comments on "মাত্র ১০টি অভ্যাস,দক্ষ মা হতে এগিয়ে যান আরেক ধাপ।"

Notify of
Sort by:   newest | oldest | most voted
লাল নীল বেগুনী
Member

উপকারী পোস্ট।

Essie
Guest

Thanks for the auspicious writeup. It in fact used to be a leisure account it.
Look complex to more delivered agreeable from you! However, how can we keep in touch?

Website: http://herb24.space

best amazon product reviews cracked
Guest
best amazon product reviews cracked

Thank you, I’ve recently been searching for info approximately this subject for ages and yours is the bsst I’ve came upon so far.
But, what concerning thhe conclusion? Are
you positivce about tthe supply? https://www.youtube.com/watch?v=2Im82Q_PzD8

hoje os cara preta vai queimar https://www.acabarcomainsonia.club/
Guest
hoje os cara preta vai queimar https://www.acabarcomainsonia.club/
Ariel
Guest

I believe this is one of the such a lot important information for me.
And i am happy reading your article. But want
to remark on few basic things, The website
taste is ideal, the articles is truly nice : D. Good activity, cheers

dinero rapido (Elliot)
http://www.lr-tube.com/profile.php?u=cleopatra

wpDiscuz