ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী
লিখেছেন প্রশান্ত চিত্ত, অক্টোবর ২১, ২০১৪ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী – লীলা নাগ ( বিবাহের পরে নাম হয় লীলা রায় )

লীলা নাগ সম্পর্কে সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন তার স্মৃতিকথা নামক প্রবন্ধ সংকলনে লেখেন, এঁর মত সমাজ-সেবিকা ও মর্যাদাময়ী নারী আর দেখি নাই। এঁর থিওরী হল, নারীদেরও উপার্জনশীলা হতে হবে, নইলে কখনো তারা পুরুষের কাছে মর্যাদা পাবে না। তাই তিনি মেয়েদের রুমাল, টেবলক্লথ প্রভৃতির উপর সুন্দর নক্সা এঁকে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই সব বিক্রিকরে তিনি মেয়েদের একটা উপার্জনের পন্থা উন্মুক্ত করে দেন ।

বাঙালি নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে তিনি বিশেষ ভুমিকা পালন করেছেন । তিনি ঢাকার আরমানীটোলা বালিকা বিদ্যালয়, কামরুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল এবং শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয় (তৎকালীন নারীশিক্ষা মন্দির) প্রতিষ্ঠা করেন । বিয়ের পর তার নাম হয় শ্রীমতি লীলাবতী রায় । ভারত বিভাগের পর লীলা নাগ কলকাতায় চলে যান এবং সেখানেও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন ।

**তথ্যসুত্র- উইকিপিডিয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী – লীলা নাগ ( বিবাহের পরে নাম হয় লীলা রায় )

লীলা নাগ সম্পর্কে সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন তার স্মৃতিকথা নামক প্রবন্ধ সংকলনে লেখেন, এঁর মত সমাজ-সেবিকা ও মর্যাদাময়ী নারী আর দেখি নাই। এঁর থিওরী হল, নারীদেরও উপার্জনশীলা হতে হবে, নইলে কখনো তারা পুরুষের কাছে মর্যাদা পাবে না। তাই তিনি মেয়েদের রুমাল, টেবলক্লথ প্রভৃতির উপর সুন্দর নক্সা এঁকে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই সব বিক্রিকরে তিনি মেয়েদের একটা উপার্জনের পন্থা উন্মুক্ত করে দেন ।

বাঙালি নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে তিনি বিশেষ ভুমিকা পালন করেছেন । তিনি ঢাকার আরমানীটোলা বালিকা বিদ্যালয়, কামরুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল এবং শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয় (তৎকালীন নারীশিক্ষা মন্দির) প্রতিষ্ঠা করেন । বিয়ের পর তার নাম হয় শ্রীমতি লীলাবতী রায় । ভারত বিভাগের পর লীলা নাগ কলকাতায় চলে যান এবং সেখানেও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন ।

**তথ্যসুত্র- উইকিপিডিয়া

পোস্টটি ৩২১ বার পঠিত
 ০ টি লাইক
২ টি মন্তব্য
২ টি মন্তব্য করা হয়েছে
  1. অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য :)

  2. নতুন কিছু জানলাম !

আপনার মুল্যবান মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.