চিকেন পক্স এর কারণ ও চিকিত্সা
লিখেছেন প্রশান্ত চিত্ত, এপ্রিল ২, ২০১৪ ১:১৫ অপরাহ্ণ

chickenpox

বসন্তের শেষে চিকেন-পক্সে খুব বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। অন্য সময়ে দেখা দিলেও আক্রান্তের হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। জলবসন্ত বা চিকেন- পক্স একটি খুবই ছোঁয়াচে রোগ, ভেরিসেলা জোস্টার নামের ভাইরাস এর জন্য দায়ী। ছোটবড়, নারী-পুরুষ ভেদে সব বয়সীরা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি হয়ে থাকে। একবার আক্রান্ত হলে সাধারণত শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে যায়। অনেক সময় পরবর্তীতে এ রোগের জীবাণুর আক্রমণে ‘হারপিজ জোসটার’ নামে আরেকটি রোগের প্রকাশ ঘটে থাকে।

কিভাবে ছড়ায় : 
কাশি-হাঁচি, এমনকি ত্বকের সংস্পর্শে এলেও অন্যরা এতে আক্রান্ত হতে পারে। রোগটি ছড়াতে শুরু করে ত্বকে গুটি দেখা দেওয়ার দুদিন আগে থেকেই। আর ছড়াতে থাকে যতদিন না সব কটি গুটি শুকিয়ে যায়।
 
লক্ষণ : 
আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসার ১০-২১ দিনের মধ্যে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে। ত্বকে ফুসকুড়ি প্রকাশ পাওয়ার ২-৩ দিন আগেই জ্বরের ভাব হয়, শরীরে বেথা অনুভূত হয়ে থাকে। পেটে ব্যথা হতে পারে। ফুসকুড়িতে চুলকানি ও জ্বালা-পোড়া অনুভূতি হতে পারে। ফুসকুড়িতে পরবর্তীতে পানি আসে এবং সবশেষে শুকনো কাল ব্রণের খোসা তৈরি হয়ে থাকে। 
 
চিকিৎসা :
ভাইরাসজনিত রোগ বিধায় এ রোগের কোনো চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না। সাবধানতা অবলম্বন করলে কদিন পর এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে লক্ষণ অনুসারে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। যেমন জ্বর ও চুলকানির তীব্রতা কমানোর জন্য ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। রোগের তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে, এন্টিভাইরাল বা এন্টিবায়োটিক ওষুধ দেওয়া হয়।
 
জটিলতা :
আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক সময় শ্বাসনালির সংক্রামণ, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি দেখা দিয়ে জীবনহানির কারণ হতে পারে।
 
ত্বকে ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণ হতে পারে। সংক্রমণ পরবর্তীতে ত্বকে গর্ত থেকে যেতে পারে।
 
সূত্র – বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

Comments

comments

পোস্টটি ৭৫১ বার পঠিত
 ০ টি লাইক
০ টি মন্তব্য