ক্যানসার রোধে ৭টি ঘরোয়া টোটকা!
লিখেছেন প্রশান্ত চিত্ত, জুলাই ৩১, ২০১৪ ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

ক্যানসার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে সারা বিশ্বের বিশিষ্ট গবেষক-বিজ্ঞানীরা ওঠেপড়ে লেগেছেন। কিনতু একদল গবেষকরা বলছেন, কর্কট রোগকে রুখতে গেলে দরকার কিছু ঘরোয়া মশলা। যা প্রতিদিন বাড়ির রান্নাতে প্রয়োজন হয়। সেইগুলিকে নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করলেই ক্যানসার রোগ না হওয়ার সম্ভবনা থাকে না। সেইগুলি নীচে দেওয়া হলো:

আদা: আদা হলো ভেষজ ওষুধ। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি সব অসুখেই আদা খুব প্রয়োজনীয় ওষুধ। রান্নার কাজে আদার ব্যবহার প্রতিদিনই। এছাড়া কাঁচা আদা চিবোলেও কাজে দেয়। আদা মিহি করে বেটে প্রতিদিন এক টেবিলস্পুন খাওয়া উচিত। স্টোমাক ক্যানসারে জন্য আদা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভেষজ ওষুধ।

রোজমেরি: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মূল উত্সই হল রোজমেরি। এর পাতা ভেষজ ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে। ইটালিয়ান ডিশে রোজমেরি সাধারণত ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াস্যুপ, টমেটো বেসড সশ, পাউরুটিতে রোজমেরি ব্যবহার করা হয়। হাই-প্রোটিন খাবার যথাক্রমে ল্যাম্ব, বিফ রান্নাতেও রোজমেরি দেওয়া হয়। পেটের সমস্যা, বদহজম, খাওয়ার অরুচি হলে চেষ্টা করুন প্রতিদিন ৩ কাপ রোজমেরি পাতার রস খেতে।

হলুদ: আদার মতো হলুদও একটি প্রাকৃতিক ওষুধ। মূলত রান্নায় স্বাদ ও রঙ আনার জন্য হলুদ ব্যবহার করা হয়। হলুদে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমিটরির বৈশিষ্ট্য, যা ক্যানসার রোগকে প্রতিরোধ করে। গবেষকদের মতে, প্রস্টেট, ব্রেস্ট, স্কিন ও কোলন ক্যানসারের জন্য উপযুক্ত ওষুধ হলো এই হলুদ।

কাঁচালঙ্কা: কাঁচালঙ্কার মধ্যে ক্যাপসেইচিন থাকে, তাতে ব্যাথার আরাম হয়। চামড়ার উপরে লাগালে তা কেমিক্যালের মতো কাজ করে যা সাবস্টেনস-পি নাম দেওয়া হয়েছে। তবে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে কাঁচা লঙ্কার ব্যবহার করতে হয়। কাটা-ছেঁড়ার জায়গা কখনই কাঁচা লঙ্কা ব্যবহার করবেন না। তাতে চামড়া পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। ।নিজে থেকে কিছু করতে যাবেন না। পিজিশিয়ান বা অনকোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ক্যানসারের সার্জারির পর নিউরোপ্যাথেটিক পেইনের জন্য ক্যাপসেইচিন ক্রিম ব্যবহার করা হয়।

রসুন: রসুনে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে। এছাড়া আরজিনি, সেলিনিয়ামও থাকে। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভাল। রসুন থেতো করে বা কুচি কুচি করে খেলে খুব উপকার পাওয়া যায়।স্টোমাক ক্যানাসারের জন্য একদম উপযুক্ত হল এই রসুন। এছাড়া কোলন, ব্রেস্ট, খাদ্যনালী ও অগ্ন্যাশয় ক্যানসার সারাতেও রসুন খুব কাজে দেয়। রক্তপ্রবাহের গতি প্রকৃতির সামঞ্জস্য রাখতে ও ইমিউনি স্টিটেমকে ঠিক রাখতে রসুনের ব্যবহার অনস্বীকার্য।

পিপারমিন্ট: আদিকাল থেকেই পিপারমিন্টের ব্যবহার চলে আসছে। গ্যাস, পেটের সমস্যা, বদহজম প্রভৃতি রোগের একমাত্র ওষুধ হল পিপারমিন্ট। ফুড পয়জনিং-এর জন্যও মিন্ট ব্যবহার করা হয়। স্টোমাক ক্যানসারের রোগীরা চেষ্টা করবেন প্রচিদিন পিপারমিন্ট চা খেতে। মুখের বা ঠোঁটের সমস্যাতেও মিন্ট অনেক উপকারী।

ক্যামোমিল: ডাক্তারির ইতিহাসে ক্যামোমিল অনেক পরিচিত নাম। যাঁদের ঘুম আসতে চায় না, তারা ক্যামোমিল খেতে পারেন। চেষ্টা করবেন ঘুমোতে যাওয়ার আগে স্ট্রং ক্যামোমিল চা খেতে। মাউথওয়াশ হিসেবেও ক্যামোমিল খুব উপকারী। তবে চিকিত্সেকের সঙ্গে পরামর্শকরে তবেই ক্যামোমিল ব্যবহার করবেন।

সূত্র – ওয়েবসাইট।

পোস্টটি ১২৬৪ বার পঠিত
 ২ টি লাইক
৩ টি মন্তব্য
৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে
  1. সুন্দর পোষ্ট। ছবি গুলো আরো সুন্দর :) ।

  2. ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার আগেই এসব খাওয়ার অভ্যেস করা উচিৎ। কি বলেন?

আপনার মুল্যবান মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.