কন্ডিশনার হিসেবে বিভিন্ন তেল
লিখেছেন প্রশান্ত চিত্ত, মার্চ ২৮, ২০১৫ ৪:৪৫ অপরাহ্ণ

চুল কন্ডিশনিং করতে তেলের বিকল্প কিছু খুঁজে পাওয়া ভার ।মাথায় নিয়মিত তেল আপনার চুলের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে ও পুষ্টি যোগায় চুলে ।তেল আপনার মাথার কর্টেক্স এর ভিতরে ঢুকে ।যা আপনার ড্যামেজ চুলকে পুনরুদ্ধার করে এবং পরবর্তী ড্যামেজ হওয়া থেকে বাঁচায় ।

নারিকেল তেল :

নারিকেল তেল ড্যামেজ চুল খুব ভালোভাবে সারিয়ে তোলে ।এটি চুলের স্যাফট এর ভিতরে ঢুকে ।অ।আর তাই এটি চুল ফেটে যাওয়ার হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে ।এতে থাকে প্রোটিন যা চুল পড়ে যাওয়া প্রতিহত করে ।এ শ্যাম্পু করার ১ঘন্টা আগে মাথায় তেল দিয়ে গরম তোয়ালে দিয়ে মাথা মুড়ে নিন বা আগের রাতে হালকা গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করে নিন ।পরদিন ধুয়ে ফেলুন ভালো শ্যাম্পু দিয়ে ।

অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল:
অলিভ অয়েল এর গুণের কথা আর নতুন করে কি বলবো? এটি অন্যান্য সব তেলের চেয়ে অধিক হারে মাথার ত্বকে প্রবেশ করে।এক চামচ গরম অলিভ অয়েল মাথার তালুতে ও চুলে ম্যাসাজ করুন সার্কুলার মোশনে মানে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ।এরপর একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন ৪০ মিনিট ।এরপর হালকা বা মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।

এভোক্যাডো অয়েল :

এই তেলটি আমাদের দেশে এত জনপ্রিয় না হলেও এটির রয়েছে চুল ড্যামেজ প্রতিহত করার চমত্কার গুণ ।এটি চুলের ভিতরে একদম চুলের কোর পর্যন্ত ঢুকে যায় এবং ময়েশ্চার করে চুলকে ।এতে অধিক পরিমাণে ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিন ই আছে যা চুল লম্বা করে ও চুলকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে ।গরম এভোকেডো ম্যাসাজ করে ৩০মিনিট রেখে বা সারারাত রেখে পরদিন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।

Source: স্বাস্থ্য তথ্য

পোস্টটি ৪৮৪ বার পঠিত
 ১ টি লাইক
২ টি মন্তব্য
২ টি মন্তব্য করা হয়েছে
  1. বাংলাদেশে আভোকাডো তেল কোথায় পাওয়া যায়?

আপনার মুল্যবান মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.