সন্তানদের সাথে আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব
লিখেছেন অজান্তা, অক্টোবর ২১, ২০১৪ ১:৫৩ অপরাহ্ণ

Happy family and house at sunset in a meadow

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আমাদের ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে প্রথম চিন্তার বিষয় হলো তারা কথা বলার জন্য মানুষ খুঁজে পায়না। এটা তাদের বিপর্যয়ের প্রধান কারণ। আপনার সন্তানকে আপনি স্কুলে পাঠান; ধরে নিই তারা পাবলিক স্কুলে যায়। অধিকাংশ মুসলিম অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের পাবলিক স্কুলে পাঠিয়ে থাকেন, কারণ যেকোনো কারণেই হোক তাদের সন্তানদেরকে ইসলামিক স্কুলে পাঠানোর সামর্থ্য বা সুযোগ হয়ে ওঠেনা। এজন্য আমরা তাদের দোষারোপ করব না। এটা তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণ। তো আপনি সন্তানদের পাবলিক স্কুলে ভর্তি করান; ক্লাস ফাইভ-সিক্সে উঠতে উঠতেই তারা এ দেশে বিভিন্ন নোংরা শব্দ শিখে ফেলে; আপনি যে শহরেরই হন না কেন। তারা খুব জঘন্য ভাষা আয়ত্ত করে ফেলে; তারা কিছু বাজে ওয়েবসাইটে ঢোকা শিখে যায়; তারা তাদের পিএসপি, আইপড, আইফোনে বিভিন্ন নোংরা জিনিষ ডাউনলোড করা শেখে। তারা কম বয়সেই এসবে পারদর্শী হয়ে যায়। যেসব জিনিস আপনি ২৫ বছর বয়সেও শেখেননি সেগুলো তারা ১২ বছর বয়সেই জানতে পারে। এটাই বাস্তবতা। এগুলোই এখন হচ্ছে।

 

এখানে কোন কোন অভিভাবক জানেন যে ফেসবুক কী? একটু হাত দেখান প্লিজ। আচ্ছা, টুইটার কী জিনিস কেউ বলতে পারবেন? (its not when your eye bugs out, something else) তো আপনার সন্তান এসব সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে যায়, যেখানে অচেনা শিকারিরা আপনার কিশোর মেয়ে বা ছেলের সাথে কথা বলতে পারে। একসময় তারা সম্পর্কে জড়িয়ে যায় আর একে অপরের সাথে দেখাও করে। এরপর বিভিন্ন কিছু ঘটে যায়। এটা বর্তমানে আমাদের মুসলিম ছেলেমেয়েদের বাস্তবতা। এগুলোই ঘটছে। এসবের ব্যাপারে আমাদের চোখ বুজে থাকলে হবেনা, আমাদের চোখ খুলতে হবে। আপনি হয়তো বলতে পারেন, “না না, আমার সন্তানরা এমন না।” প্লিজ জেগে উঠুন! বড় বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার আগে এসব ব্যাপারে কিছু প্রাথমিক সমাধান যা আমাদের করতে হবে তা হল, বাসায় ওপেন এক্সেস ইন্টারনেট রাখবেন না। বিশেষ করে ১২ বছরের ছোট বাচ্চা থাকলে, এটা রাখবেন না! এটা একটা ভয়ানক কাজ। তাদের ল্যাপটপ দেবেন না। দিতে চাইলে এমন মোবাইল দেবেন যেটাতে কেবল ফোন নাম্বার লেখা যায়, কোন টেক্সট ম্যাসেজ বা ইন্টারনেট চালানো যায়না। নতুবা আপনি নিজেই বিপদ দেকে আনছেন। এ নিয়ে আপনিই পরবর্তীতে আফসোস করবেন। আপনি ভাবছেন এগুলো আপনি তাদের ভালবেসে কিনে দিয়েছেন; আসলে আপনি তাদের ধ্বংস করছেন। তারা এখনো অতো বড় হয়নি যে নিজেরাই বুঝে নেবে যে এটা আমার করা উচিত নাকি উচিত না। ধরে নেবেন না যে তারা একাই সব ভালো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে কারণ আপনি ভালো পরিবার থেকে এসেছেন। প্লিজ এই ফাঁদে পড়বেন না। আল্লাহর দোহাই এসব জিনিস নিয়ে নিন। আপনার সন্তানদের বিনোদনের জন্য অন্যান্য পথ আছে। এটা প্রথম বিষয়।

 

যাই হোক যখন আপনার সন্তান বয়ঃসন্ধিতে পা রাখে, যেটা প্রায় সময়েই হয়ে থাকে, তাইনা? আমাদের সন্তানেরা টিনেজে/কৈশোরে উপনীত হয় আর আমি বিভিন্ন দেশে ঘুরে যেটা দেখি, অনেক অভিভাবক আমার কাছে এসে বলেন, “আমার একটা টিনেজ মেয়ে আছে”, “আমার একটা টিনেজ ছেলে আছে”, “আমি চাই আপনি তাঁর সাথে কথা বলেন”। এরকম ঘটনা আমার সাথে শতবার ঘটেছে। আক্ষরিক অর্থেই শতবার ঘটেছে।

 

আপনি জানেন কেন তারা আমার কাছে আসে? আর আমি কাউকে বিচার করছি না, ওয়াল্লাহি, আমি কাউকে বিচার করছি না। জানেন কেন তারা আমার কাছে আসে? কারণ বয়ঃসন্ধিতে আসলে তারা স্বাধীন হয়ে যায়, যখন তারা স্বাধীন হয়ে যায় তখন তারা আর আপনার কথা শোনেনা, যখন তারা আপনার কথা শোনেনা তখন আপনি এমন কাউকে চান যার কথা তারা শুনবে। নৌকা ইতিমধ্যেই ভেসে গেছে। কখন আপনার হাতে সুযোগ ছিল? কখন? যখনও তারা Semi-adult এ পরিণত হয়নি, তখন। সেসময় আপনার সুযোগ ছিল। একে হাতছাড়া করবেন না। আমাদের বুঝতে হবে যে, আমরা ভিন্ন পৃথিবীতে বাস করছি। দেশে থাকতে আপনি তাদের সাথে যে রকম আচরণ করতে পারতেন, এখানে তেমনটি পারবেন না। আগে আপনি তাদের বকতে পারতেন, মারতে পারতেন, আপনার ইচ্ছে মতো। এমনটিই সবাই করে এসেছে। এখানে আপনি তাদের সামান্য বকুনি দেবেন আর তারা বলে বেড়াবে, “আরে আমার বাবা পুরো ফালতু একটা মানুষ”। তারা আপনার সম্পর্কে বন্ধুদের এরকম বলে বেড়াবে।

 

আমি একটা সান্ডে স্কুল চালাতাম, সেখানকার হেড ছিলাম। আর জানেন আমার প্রাইমারী কাজ কী ছিল? বাচ্চাদের পেছনে গোয়েন্দাগিরি করা; কারিকুলাম ঠিক করা, আকিদা শেখানো বা বই অর্ডার আমার কাজ ছিলোনা, না না না। এগুলো পরের বিষয়। আগে দেখা যাক তারা স্কুলে বিরতির সময় কি নিয়ে কথাবার্তা বলে। “আমার মা আমাকে NC17 ভিডিও গেম কিনে দিয়েছে”, “আর আমার বয়স মাত্র ৮ বছর। মা আমাকে খুব ভালবাসে” না সে ভালবাসে না। হা হা। “আমার গ্র্যান্ড থেফট অটো আছে”, “তুমি ঐ মুভিটা দেখেছো? ওটা PG-13 ! ওটা দেখতেই হবে!” বা “মুভিটা Rated-R আর আমি দেখেছি। সেটার ডিভিডি-ও আমার কাছে আছে।”

 

বাচ্চারা এসব নিয়েই কথা বলছে। তারা আপনার সন্তানদের নষ্ট করে ফেলছে। আর একে আপনি ভালবাসা বলেন? ইব্রাহিম (আঃ), তিনি কি কখনো এগুলোর কাছাকাছিও কোন কিছুর জন্য অনুমতি দিতেন? একে বাচ্চাদের জন্য উদ্বেগ বলে? চোখ খুলুন! সত্যিই, চোখ খুলুন!

 

আমরা সন্তানদের এমন সব জিনিসের সামনে উন্মুক্ত করে দিচ্ছি, আর এটা ধীরে ধীরে খারাপের দিকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে মিডিয়াতে, যেই মুভিটা ১০ বছর আগে ১৩ বছর বয়সের নিচে অনুমোদিত ছিলোনা সেটা এখন অনুমোদিত হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড নিচে নেমে গেছে। আমি না, তারাই এসব নিয়ে কথা বলছে। এখন সমকামিতার মত বাজে বিষয়গুলো এমনকি কার্টুনেও সাধারণ হয়ে গেছে। টম অ্যান্ড জেরিও আর আগের মতো নেই। সবকিছু বদলেছে। চারিদিকে কী হচ্ছে সে ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের সন্তানরা কী দেখছে, তারা কী ভাষায় কথা বলছে, যেসব জিনিস তাদের কাছে নরমাল মনে হয়, যেগুলো তাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। যখন আপনি মসজিদে যান তখন আপনি দাড়িওয়ালা মানুষদের দেখেন; তারা নামায পড়ে, ভিন্নভাবে কথা বলে। আপনার বাচ্চারা কী তাদের বেশী দেখতে পায় নাকি বাইরের পৃথিবীকে? তারা যেটা বেশী দেখতে পায় সেটাকেই স্বাভাবিক ধরে নেয়। তাদের কাছে এটা স্বাভাবিক না, ঐটা স্বাভাবিক। আর এটাই সমস্যা। এটাই আসল সমস্যা। তারা এগুলোকে স্বাভাবিক মনে করেনা। তারা বাইরের পৃথিবীকে স্বাভাবিক মনে করে।

 

আমরা কীভাবে সন্তানদের জন্য একে পরিবর্তন করতে পারি? প্রথমে এ সব বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে হবে। তারপর এসব সমাধানের ব্যাপারে কথা বলা যাবে।

 

আমাদের ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে প্রথম চিন্তার বিষয় কী যেটা আমি বলেছিলাম? তারা কথা বলার জন্য মানুষ পায়না। যখন আপনার সন্তান পাবলিক স্কুলে যায় আর একটা ছেলে আর মেয়েকে একসাথে দেখে বা কোন মেয়ে আপনার ছেলের কাছে এসে বলে, “আমার সাথে সিনেমা দেখতে যাবে?” অথবা “আমরা একটা রেস্টুরেন্টে খেতে যাচ্ছি, তুমি যাবে? তুমি দেখতে অনেক কিউট।” এসব আপনার ক্লাস ফাইভের বা সেভেনের সন্তানের সাথেই হচ্ছে। তারা কি বাসায় এসে আপনার সাথে এগুলো নিয়ে কথা বলবে? না। “আব্বু, একটা মেয়ে না আমাকে বলেছে আমি দেখতে কিউট।” “কী! তোমাকে কি এইজন্যেই আম্রিকায় নিয়ে এসেছিলাম?” ঠাশ! ঠাশ! এই বাচ্চা জানে যে তাঁর বাবা-মা এগুলো শুনে মেনে নিতে পারবে না। কিন্তু এসব কথা তো কারো সাথে শেয়ার করতে হবে। সে কাকে এগুলো বলবে? সে বন্ধুদের সাথে এগুলো শেয়ার করবে। আর পাবলিক স্কুলে তাঁর বন্ধুরা মুসলিম নাকি অমুসলিম? অমুসলিম। তারা তাকে ইসলামিক পরামর্শ দেবে নাকি অনৈসলামিক? অনৈসলামিক পরামর্শ। “আরে চালিয়ে যা দোস্ত” তারা এইরকম পরামর্শই দেবে। আর এখন আপনার বাচ্চারা আপনাদের থেকে তাদের বন্ধুদের সাথে বেশী খোলামেলাভাবে চলতে পারছে কারণ আপনি বেশী কঠোর। আপনি তাদের সাথে কথা বলেন না। আপনি তাদের জন্য সেই দরজাটা খোলা রাখেননি। কারণ আপনি তাদের ওপর সেই আধিপত্য দেখাতেন যা আপনার বাবা আপনার ওপর খাটিয়েছিল। কিন্তু সেটাতো আপনার দেশ ছিলো ভাই, এখানে সবকিছু ভিন্ন। আমাদেরকে সন্তানদের বন্ধু হতে হবে। তারা যেন খোলামেলাভাবে কথা বলতে পারে সেই পরিবেশ তৈরী করতে হবে।

 

এই সমস্যা আমার আছে; আমি তিন মেয়ের বাবা, ঠিক আছে? আরা আমি অনেকটা রক্ষনশীল বাবা। তাই যখন আমার মেয়ে প্রি-স্কুলে ছিলো, তখন একটা ছেলে তাঁর পাশে বসেছিল। আর সে বাড়ী ফিরে বলেছিল, “হামজা আজকে আমার পাশে বসেছিল আর আমরা একসাথে রঙ করেছিলাম”। আমি বললাম “কী??” আর আমার স্ত্রী আমার দিকে তাকিয়ে বললো “তুমি এখান থেকে যাও, আমি ওর সাথে কথা বলছি” কারণ আমি যদি এখন রাগ দেখায় তাহলে সে বুঝে ফেলবে আমার বাবা হামজার ব্যাপারে কিছু শুনতে পছন্দ করেনা। তাই এর পরে হামজা যদি কোন কিছু বলে বা করে তখন কি আমার মেয়ে সেটা আমাকে বলবে? না। সুতরাং সেটা বলে আমি নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছি।

 

আমাদের এসব ব্যাপার মোকাবেলা করা শিখতে হবে। এর কিছু কৌশল আছে। আমাদেরকে সন্তানদের এসব ব্যাপারে ধৈর্য ধরতে হবে। এটা তাদের দোষ না। আমরাই তাদের সেই স্কুলে পাঠিয়েছি। আমরাই তো তাদের সেই পরিবেশে পাঠিয়েছি। তারা এটা চায়নি। তাই তারা যদি খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় সেটা কাদের কারণে হবে? আমাদের। তাই আমাদের নিজেদেরও এসবের দায়িত্ব নিতে হবে। “তুমি এমন কথা বলতে পারলে?” “তুমি কোত্থেকে এসব শব্দ শিখেছো?” এসব বলেই পার পাওয়া যাবে না। “আরে তোমরাই তো আমাকে এই স্কুলে পাঠিয়েছো, তোমরাই আমাকে এমন অবস্থায় ফেলেছো” “তোমরাই আমাকে ঐ মুভিটা দেখতে দিয়েছো” “তোমরা আমাকে জিজ্ঞেস করো নি যে আমার বন্ধুরা কেমন, তারা কোথায় থাকে, আমরা একসাথে কি করি। তোমরা আমাকে জিজ্ঞেস করো নি, এটা তোমাদের সমস্যা।”

 

তাই আপনার সন্তানদের জন্য কথা বলার দরজা খুলে দিন। দেরি হবার আগেই এটা করুন। অনেক ছেলেমেয়েরা তাদের ঘর ছেড়ে চলে গেছে। আমাদের অনেক মেয়েরা তাদের বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে গেছে। অনেক। অনেক। আমি জানি এসব শুনতে খুপ খারাপ লাগে, কিন্তু এটাই বাস্তবতা। আমাদের এর মুখোমুখি হতে হবে। আমাদের অনেক ছেলেদের অন্যের সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে। এটা পুরো অসুস্থ বাস্তবতা। শুধু কাঁদলেই চলবে না, আমাদের এসব বিষয় সমাধান করতে হবে।

 

তাই প্রথম কাজ হল সন্তানদের জন্য কথা বলার দ্বার খোলা রাখা।

 

দ্বিতীয় ব্যাপারটা টিনেজ ছেলেমেয়ের জন্য।

 

আর এখানে আমি ইয়াকুব (আঃ) এর উদাহরণ দেবো। তিনি একজন অসাধারণ নবী। তাঁর ছেলেরা কি কোন অন্যায় কাজ করেছিল? হ্যাঁ। সেটা কি, কারো মনে আছে? তারা তাদের ভাইকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল, বনের মধ্যে গিয়ে তাকে কুয়ায় ফেলে দিয়েছিল আর নকল রক্ত মাখা জামা নিয়ে এসেছিল।

 

ইয়াকুব (আঃ) কি বুঝতে পারেননি যে তারা মিথ্যে বলছিল? আচ্ছা এই হল অবস্থা। এখানে কয়েকজন তরুন ছেলে আছে, একজন পিতা আছে। তিনি জানেন যে তাঁর ছেলেরা খুব খারাপ কিছু করেছে। তিনি কী বলেছিলেন, “বদমাইশের দল! এক্ষুনি তাকে নিয়ে আসো!”আপনি কি তাকে এমন কিছু বলতে দেখেছেন? আপনি কী দেখলেন? ‘ফা সাবরুন জামিল’ (অনুপম ধৈর্য) আমি যখন তাঁর এমন সাড়া দেখি তখন ভাবি “তিনি কেমন পিতা ছিলেন! তিনি তাদের বকলেন না, ধমক দিলেন না।”

 

কেন জানেন? কারণ তিনি একজন জিনিয়াস পিতা ছিলেন। একজন সচেতন পিতা জানেন যে কোন বয়স পর্যন্ত সন্তানদের উপদেশ দেয়া যায় আর কোন বয়সে তারা স্বাধীন হয়ে যায় যখন তাদের কিছু বললেও তারা শুনবে না। তিনি জানেন। সেই অবস্থায় আপনি কী করতে পারেন? সাবরুন জামিল। এটুকুই করতে পারেন। সময় আগেই পার হয়ে গেছে। তাই আপনার দায়িত্ব হল এর আগেই তাদের প্রতি খেয়াল রাখা। এখন তারা যদি সেই বয়স পার করেই ফেলে, তখন আপনি সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা হল তাদেরকে ভালো সঙ্গীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া।

 

আর মুসলিম তরুণদের সংস্থাগুলোকে উৎসাহ দিন। এরাই আমাদের সন্তানদেরকে দাওয়াহ দেওয়ার হাতিয়ার। আমরা তাদের সাহায্য না করলে তারাও হারিয়ে যাবে। আপাতত ফিকহের বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসুন। তারাবিহ ৮ রাকাত হোক বা ২০ রাকাত, আপনার সন্তান এসবকে পাত্তা দেয়না। অবস্থার উন্নতি হলে তখন সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা যাবে। এখন সময় ভালো যাচ্ছেনা। আমাদের সন্তানেরা আর বেশী গুরুত্বপূর্ণ। এটাকেই অগ্রাধিকার দিন।

নুমান আলী খানের এই লেকচার টি অনুবাদ করেছেনঃ ইফাত

লেকচারটির ইউটিউব লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/watch?v=hWymBJ9XpxA

পোস্টটি ৪২৭ বার পঠিত
 ০ টি লাইক
০ টি মন্তব্য

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of
avatar
wpDiscuz