উইমেন এক্সপ্রেস-প্রথম লিটলম্যাগের জন্য লেখা আহ্বান

এবারের আবহাওয়াটা যেন কেমন! না বর্ষা, না শরৎ, না হেমন্ত। কি দিয়ে শুভেচ্ছা জানাই ভেবে পাচ্ছি না।
যা হোক, রোদের দাবদাহে আর রাস্তায়, ধানক্ষেতে হাঁটুপানির মধ্য দিয়েও লেখার পোকা যাদের মাথায় অবিরাম কিলবিল করে চলে, তাঁরাই এই ব্লগকে সচল রেখেছেন। আপনাদের জন্য উইমেন এক্সপ্রেস করতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন একটি আয়োজন।
ব্লগার থেকে লেখক হওয়ার স্বপ্নের প্রথম ধাপ হিসেবে উইমেন এক্সপ্রেসে প্রকাশিত আপনার লেখা দিয়ে বের হতে যাচ্ছে উইমেন এক্সপ্রেসের প্রথম ম্যগাজিন। ছাপার অক্ষরে নিজের নাম দেখতে চান? ঝটপট বেছে ফেলুন আপনার সেরা লেখাটি, আর সেটার ব্লগলিঙ্ক পাঠিয়ে দিন we.magazine.issue.1@gmail.com এই ঠিকানায় কিংবা আমাদের ফেসবুক পেইজের (https://goo.gl/T8Cqtd) ইনবক্সে। মনে রাখবেন, আপনি লেখাটি নয়, পাঠাবেন ব্লগের লিঙ্ক।
যে কয়েকটি পয়েন্ট মনে রাখলে আপনার লেখা বাছাইয়ে সুবিধা হবে, উইমেন এক্সপ্রেস রিসার্চ টিম সেগুলো নিচে জানিয়ে দিচ্ছেঃ
১। ম্যাগাজিন একটি সংরক্ষণযোগ্য প্রকাশনা, সুতরাং এর লেখাগুলোতে সেই মেজাজ রাখার চেষ্টা করবেন।
২। আপনার লেখা পাঠানোর সময় আপনার একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি যোগ করুন, আপনি যে নামে লেখাটি ছাপার অক্ষরে দেখতে চান সেটাও উল্লেখ করুন। আপনি একাধিক লেখাও পাঠাতে পারেন।
৩। সম্মানিত লেখিকাদেরকে ব্লগের পক্ষ থেকে সম্মানী দেয়া হবে।
৪। লেখা বাছাই, ছাপা এবং সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে ব্লগ কতৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
৫। লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ আগামী ২ অক্টোবর।

তো, আর দেরী কেন? হাতের কাজ সেরে বসে যান আজই। খুঁজে বের করুন আপনার সেরা লেখাটি, কালের বক্ষে অক্ষয় হয়ে থাকার জন্য যে লেখাটি আপনি সাজিয়েছিলেন। আমাদের কাছে পৌঁছে দিন দ্রুত।

আর, ভালো থাকুন নিরন্তর!

অভিযোগ

রূপান্তরিত ভালবাসা গল্পের টোটাল ৪০ টি পর্ব দিয়েছিলাম । কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি ১৫ এর পরে আর নেই । কারণ জানতে পারি কেন এমন হতে পারে ? 

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিবাদ দিবস

1_136186 copy

আজ ২৫ নভেম্বর ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর দ্য এলিমিনেশন অব ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন’ বা আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। আজ থেকেই শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষেরও। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পর্যন্ত পৃথিবীর দেশে দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এ পক্ষ পালিত হবে। বাংলাদেশের নারী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়েছে।
নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ১৯৮১ সালে লাতিন আমেরিকায় নারীদের এক সম্মেলনে ২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৯৯৩ সালে ভিয়েনায় বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয়। জাতিসংঘ দিবসটি পালনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর। বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস উদ্যাপন কমিটি ১৯৯৭ সাল থেকে এই দিবস ও পক্ষ পালন করছে।

 

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত গবেষনা থেকে নারী নিযাতনের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো-

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মূলধারার জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্য সমন্বয় করে তৈরি এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে,

২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দেশে ২৪ হাজার ৬৩১টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৪জানুয়ারিঅক্টোবর পর্যন্ত নির্যাতনের ঘটনা চার হাজার ১৪৬টি

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উন্নয়ন অন্বেষণ’-এর এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে,

২০০৮ সালে যৌতুকের কারণে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২৬৯টি।

২০১২ সালে ঘটেছে ৭৭১টি।

অর্থাৎ নির্যাতনের হার বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ধর্ষণের হারও বেড়েছে ১৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

পুলিশ সদর দফতরের নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের তথ্য অনুযায়ী,

২০০১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় এক যুগে এক লাখ ৮৩ হাজার ৩৬৫ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

এ ছাড়া এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৫ হাজার ৫৭৬টি।

 

নারী নির্যাতনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে সাইবার ক্রাইম। প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে দেশের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠছে সাইবার সেন্টার। দেশে কী সংখ্যক নারী সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই ।তবে একথা বলাই যায় যে সাইবার ক্রাইম বাড়ছে আশংকাজনক হারে।নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আমাদের দেশে অনেক আইন প্রনয়ন করা হয়েছ্।যেমন-পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে ২০১০ সালে পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১১ সালে উত্ত্যক্ত করাকে (ইভ টিজিং) যৌন হয়রানি হিসেবে চিহ্নিত করে আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মানব পাচার প্রতিরোধ, এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (২০০৩ সংশোধিত), যৌতুক আইন ইত্যাদি।তবুও নারী নির্যাতন কমছে না বরং বাড়ছে ।তাই আইনের সঠিক ও কাযকরী প্রয়োগ এবং নারী সচেতনতা প্রয়োজন।এই দুয়ের সমন্বয় না হলে নারী নিযাতন প্রতিরোধ সম্ভব নয়।

নোটিশ

সতর্কতাঃ

অনুগ্রহপূর্বক সম্মানিত ব্লগারগন আপত্তিকর পোস্ট দেয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকবেন। কোন ব্লগার যদি নীতিমালা বহির্ভূত/আপত্তিকর কোন পোস্ট দেন তবে সেটি সাথে সাথেই মুছে ফেলা হবে এবং প্রয়োজনবোধে উক্ত ব্লগারকে কোন রকম ইনফরমেশন ছাড়াই ব্লক করা হতে পারে।

নীতিমালাঃ

১। Women Express একটি ব্লগ যা- বাংলাদেশের প্রতিটি স্তরের নারীদের মুখপাত্র হিসাবে কাজ করবে।

২। নারীর মযার্দা,অধিকার,উন্নয়ন,অগ্রযাত্রা আর করনীয় সর্ম্পকে দিকনির্দেশনাই এই ব্লগের মূল প্রতিপাদ্য হিসাবে বিবেচিত হবে ।

৩। এই ব্লগের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রান্তিক নারীদের জন্যে নিভর্রতা এবং আশ্রয়ের একটি প্লাটফরম তৈরীর চেষ্টা করা হবে। সেই সাথে পুরুষরাও এই ব্লগে তাদের মুক্ত চিন্তার আদান প্রদান করতে পারবেন।

৪। ব্লগটি যে কোন ধরনের রাজনৈতিক ট্যাগিং থেকে মুক্ত থাকবে ।

৬।Women Express ব্লগে প্রকাশিত লেখাগুলো অন্য কোন কমিউনিটি ব্লগে, মুদ্রিত মাধ্যমে বা মুদ্রিত মাধ্যমের অনলাইন সংস্করণে পূর্বপ্রকাশিত হতে পারবে না।

৭। প্রয়োজনে লেখায় সম্পাদনা করা হলে লেখককে জানানো হবে, এবং লেখক-সম্পাদকের আলোচনার মাধ্যমে লেখা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এ ব্যাপারে সম্পাদক তথা Women Express কর্তৃপক্ষের মতই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে।

৮। নির্ধারিত কেটাগরী ছাড়াও কেউ যদি অন্য কোন বিষয়ে লিখতে চান লিখতে পারবেন ।

৯। একজন নিজস্ব নাম এবং ছদ্ম নামেও লিখতে পারেন।

১০। আর এই ব্লগকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা,পরামর্শ দেওয়া,সমালোচনা করা,সঠিক পথ নির্দেশনা প্রদান এবং মনিটরিং করার জন্যে Women Express নামক একটি গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। Women Express টীম ১১ জন আন্তরিক স্বেচ্ছাসেবির দ্বারা পরিচালিত। লিখার মান, পরিবেশনা, পাঠক ফিডব্যাক – প্রতিটি ক্ষেত্রেই রিভিউয়ার ও মডারেশন প্যানেলের কঠোর তত্ত্বাবধান রাখা হবে।