বিশেষ দিনযাপন
লিখেছেন নাসরিন সিমা, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭ ৪:৪৬ অপরাহ্ণ

Image result for baitullah

★★
নিরাপদ নগরীতে যখন মধ্যরাত তখন আপনার মনে হতে পারে হয়তো আমি প্রথম সারীর কেউ হতে যাচ্ছি। কিন্তু রাস্তায় নেমে দেখুন মানুষের ঢল নেমেছে। একে অপরের চেয়ে এগিয়ে থাকার সে এক সুক্ষ্ম লড়াই! মাতাফে (তাওয়াফ করার স্থান) যাবার জন্য উন্মাতাল মানুষগুলো! রাত দুটা বেজে বিশ মিনিট, বহু পথ পেরিয়ে কিছু মানুষ কেবলই মাতাফের গেইট দিয়ে ঢুকবে ঠিক তখনই বেরিকেড দিয়ে পুলিশ গেইট বন্ধ করতে দেখেই নারী পুরুষ একঝাঁক মানুষ দৌড়ে ঢুকেছে বেরিকেড পুরোটা দেয়ার আগেই! কর্তব্যরত পুলিশ হেসে দিয়েছে পাগল মানুষগুলোর কান্ড দেখে! না সেই হাসিতে নারীকে দৌড়াতে দেখে কোন নোংরামি ছিল না, না ছিল তাচ্ছিল্য! বরং বিস্ময় আর অণুপ্রেরণা লুকিয়ে ছিল। ভাবছি আরশে আযিমে বসে আমার রবও হয়তো মুচকি হাসছেন এই পাগলামি দেখে। বিশ্বাস করুন আপনি একবার এখানে এসে দেখুন আপনার চিন্তা বদলে যাবে এ যাবত যত কিছুতে আপনি টান অনুভব করেছেন সেই টান নিমিষেই বদলে যাবে। দুনিয়ার অন্য কোন দেশে যাবার আগে এখানে আসুন প্রশান্তি আসবে ভেতরে!

★★
দুদিন হল লাশ রাখার স্থান দিয়ে হাটি! গতকাল আটটা লাশ দেখেছিলাম, আজ বারোটা! এর মধ্যে তিন বছরের শিশুও আছে! প্রতিনিয়ত হাতছানি দিচ্ছে শেষ সময়, শিশু থেকে বড় কাউকে রেহায় দেয়না! এতটুকু যদি কারো কাছে পেয়ে থাকেন যার কাছে পাওয়াটা আপনার জন্য এক্সট্রা তবে তাকে প্রতিদান দিন এটা তার প্রাপ্য! আমার অনুভুতি তে এসেছে ধরুন আপনি কারো কাছে একটা কাজ নিয়মিত করিয়ে নিয়েছেন তাকে কোন বিনিময় দেননি, বা বিনিময় দেয়া যায়না। হয়তো সে তার সমস্যা থাকা সত্যেও আপনাকে সময় দিয়েছে রাত বিরাতে উঠে আপনার ট্রেনের টিকিট ধরিয়ে দিয়েছে আপনার হাতে সে আপনার আত্মীয় সম্পর্কিত কেউ নয়, সেই কাজটা তার দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা! হয়তো শীতের রাতে ঊঠতে কখনো তার খুব বিরক্ত লেগেছে তাকে উত্তম প্রতিদান দেয়া উচিত সেটা আপনার একটা মুচকি হাসিই যথেষ্ট হতে পারে, হয়তো একটু শ্রদ্ধাভরে কিছু কথা অথবা কিছু ছোট্ট উপহার যদিও আপনি তাকে ঠিক ততদিনই ট্রেনের টিকিট ধরিয়ে না দেয়া অবধি দায় শোধ হবেনা ! আর আপনারই প্রয়োজনে তাকে আবারো কাজে লাগানোর চিন্তাটাও বোধহয় গর্হিত সার্থপরতা ছাড়া কিছুই নয়! আমার মনে হয়েছে! প্রতিটি দিন পেরিয়ে উপলব্ধি বোধটুকু আমাদের আসাটা জরুরি ! সহজে আসেনা বলেই বুঝতে পারি না অনেককিছু!

★★
বেশ কিছুদিন আগে লোহিত সাগর পাড়ে গিয়েছিলাম। দুজন মিলে 45 মিনিটে ধরে সুর্যাস্ত দেখেছি! বারবার একটা কথা মনে পড়ছিল দিনের বেলা কি তপ্ততা ছড়ায়, মানুষের শরীর পুড়িয়ে দেবে যেন এমন, এই সুর্যও আল্লাহর নিয়মের কাছে অসহায়! মানুষ কিসের অহংকার করে তবুও? অহংকার আল্লাহর চাদর ভুলে যাওয়া কারোরই উচিৎ না!

★★
নিরাপদ নগরীতে যখন মধ্যরাত তখন আপনার মনে হতে পারে হয়তো আমি প্রথম সারীর কেউ হতে যাচ্ছি। কিন্তু রাস্তায় নেমে দেখুন মানুষের ঢল নেমেছে। একে অপরের চেয়ে এগিয়ে থাকার সে এক সুক্ষ্ম লড়াই! মাতাফে (তাওয়াফ করার স্থান) যাবার জন্য উন্মাতাল মানুষগুলো! রাত দুটা বেজে বিশ মিনিট, বহু পথ পেরিয়ে কিছু মানুষ কেবলই মাতাফের গেইট দিয়ে ঢুকবে ঠিক তখনই বেরিকেড দিয়ে পুলিশ গেইট বন্ধ করতে দেখেই নারী পুরুষ একঝাঁক মানুষ দৌড়ে ঢুকেছে বেরিকেড পুরোটা দেয়ার আগেই! কর্তব্যরত পুলিশ হেসে দিয়েছে পাগল মানুষগুলোর কান্ড দেখে! না সেই হাসিতে নারীকে দৌড়াতে দেখে কোন নোংরামি ছিল না, না ছিল তাচ্ছিল্য! বরং বিস্ময় আর অণুপ্রেরণা লুকিয়ে ছিল। ভাবছি আরশে আযিমে বসে আমার রবও হয়তো মুচকি হাসছেন এই পাগলামি দেখে। বিশ্বাস করুন আপনি একবার এখানে এসে দেখুন আপনার চিন্তা বদলে যাবে এ যাবত যত কিছুতে আপনি টান অনুভব করেছেন সেই টান নিমিষেই বদলে যাবে। দুনিয়ার অন্য কোন দেশে যাবার আগে এখানে আসুন প্রশান্তি আসবে ভেতরে!

★★
দুদিন হল লাশ রাখার স্থান দিয়ে হাটি! গতকাল আটটা লাশ দেখেছিলাম, আজ বারোটা! এর মধ্যে তিন বছরের শিশুও আছে! প্রতিনিয়ত হাতছানি দিচ্ছে শেষ সময়, শিশু থেকে বড় কাউকে রেহায় দেয়না! এতটুকু যদি কারো কাছে পেয়ে থাকেন যার কাছে পাওয়াটা আপনার জন্য এক্সট্রা তবে তাকে প্রতিদান দিন এটা তার প্রাপ্য! আমার অনুভুতি তে এসেছে ধরুন আপনি কারো কাছে একটা কাজ নিয়মিত করিয়ে নিয়েছেন তাকে কোন বিনিময় দেননি, বা বিনিময় দেয়া যায়না। হয়তো সে তার সমস্যা থাকা সত্যেও আপনাকে সময় দিয়েছে রাত বিরাতে উঠে আপনার ট্রেনের টিকিট ধরিয়ে দিয়েছে আপনার হাতে সে আপনার আত্মীয় সম্পর্কিত কেউ নয়, সেই কাজটা তার দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা! হয়তো শীতের রাতে ঊঠতে কখনো তার খুব বিরক্ত লেগেছে তাকে উত্তম প্রতিদান দেয়া উচিত সেটা আপনার একটা মুচকি হাসিই যথেষ্ট হতে পারে, হয়তো একটু শ্রদ্ধাভরে কিছু কথা অথবা কিছু ছোট্ট উপহার যদিও আপনি তাকে ঠিক ততদিনই ট্রেনের টিকিট ধরিয়ে না দেয়া অবধি দায় শোধ হবেনা ! আর আপনারই প্রয়োজনে তাকে আবারো কাজে লাগানোর চিন্তাটাও বোধহয় গর্হিত সার্থপরতা ছাড়া কিছুই নয়! আমার মনে হয়েছে! প্রতিটি দিন পেরিয়ে উপলব্ধি বোধটুকু আমাদের আসাটা জরুরি ! সহজে আসেনা বলেই বুঝতে পারি না অনেককিছু!

★★
বেশ কিছুদিন আগে লোহিত সাগর পাড়ে গিয়েছিলাম। দুজন মিলে 45 মিনিটে ধরে সুর্যাস্ত দেখেছি! বারবার একটা কথা মনে পড়ছিল দিনের বেলা কি তপ্ততা ছড়ায়, মানুষের শরীর পুড়িয়ে দেবে যেন এমন, এই সুর্যও আল্লাহর নিয়মের কাছে অসহায়! মানুষ কিসের অহংকার করে তবুও? অহংকার আল্লাহর চাদর ভুলে যাওয়া কারোরই উচিৎ না!

★★
নিরাপদ নগরীতে যখন মধ্যরাত তখন আপনার মনে হতে পারে হয়তো আমি প্রথম সারীর কেউ হতে যাচ্ছি। কিন্তু রাস্তায় নেমে দেখুন মানুষের ঢল নেমেছে। একে অপরের চেয়ে এগিয়ে থাকার সে এক সুক্ষ্ম লড়াই! মাতাফে (তাওয়াফ করার স্থান) যাবার জন্য উন্মাতাল মানুষগুলো! রাত দুটা বেজে বিশ মিনিট, বহু পথ পেরিয়ে কিছু মানুষ কেবলই মাতাফের গেইট দিয়ে ঢুকবে ঠিক তখনই বেরিকেড দিয়ে পুলিশ গেইট বন্ধ করতে দেখেই নারী পুরুষ একঝাঁক মানুষ দৌড়ে ঢুকেছে বেরিকেড পুরোটা দেয়ার আগেই! কর্তব্যরত পুলিশ হেসে দিয়েছে পাগল মানুষগুলোর কান্ড দেখে! না সেই হাসিতে নারীকে দৌড়াতে দেখে কোন নোংরামি ছিল না, না ছিল তাচ্ছিল্য! বরং বিস্ময় আর অণুপ্রেরণা লুকিয়ে ছিল। ভাবছি আরশে আযিমে বসে আমার রবও হয়তো মুচকি হাসছেন এই পাগলামি দেখে। বিশ্বাস করুন আপনি একবার এখানে এসে দেখুন আপনার চিন্তা বদলে যাবে এ যাবত যত কিছুতে আপনি টান অনুভব করেছেন সেই টান নিমিষেই বদলে যাবে। দুনিয়ার অন্য কোন দেশে যাবার আগে এখানে আসুন প্রশান্তি আসবে ভেতরে!

★★
দুদিন হল লাশ রাখার স্থান দিয়ে হাটি! গতকাল আটটা লাশ দেখেছিলাম, আজ বারোটা! এর মধ্যে তিন বছরের শিশুও আছে! প্রতিনিয়ত হাতছানি দিচ্ছে শেষ সময়, শিশু থেকে বড় কাউকে রেহায় দেয়না! এতটুকু যদি কারো কাছে পেয়ে থাকেন যার কাছে পাওয়াটা আপনার জন্য এক্সট্রা তবে তাকে প্রতিদান দিন এটা তার প্রাপ্য! আমার অনুভুতি তে এসেছে ধরুন আপনি কারো কাছে একটা কাজ নিয়মিত করিয়ে নিয়েছেন তাকে কোন বিনিময় দেননি, বা বিনিময় দেয়া যায়না। হয়তো সে তার সমস্যা থাকা সত্যেও আপনাকে সময় দিয়েছে রাত বিরাতে উঠে আপনার ট্রেনের টিকিট ধরিয়ে দিয়েছে আপনার হাতে সে আপনার আত্মীয় সম্পর্কিত কেউ নয়, সেই কাজটা তার দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা! হয়তো শীতের রাতে ঊঠতে কখনো তার খুব বিরক্ত লেগেছে তাকে উত্তম প্রতিদান দেয়া উচিত সেটা আপনার একটা মুচকি হাসিই যথেষ্ট হতে পারে, হয়তো একটু শ্রদ্ধাভরে কিছু কথা অথবা কিছু ছোট্ট উপহার যদিও আপনি তাকে ঠিক ততদিনই ট্রেনের টিকিট ধরিয়ে না দেয়া অবধি দায় শোধ হবেনা ! আর আপনারই প্রয়োজনে তাকে আবারো কাজে লাগানোর চিন্তাটাও বোধহয় গর্হিত সার্থপরতা ছাড়া কিছুই নয়! আমার মনে হয়েছে! প্রতিটি দিন পেরিয়ে উপলব্ধি বোধটুকু আমাদের আসাটা জরুরি ! সহজে আসেনা বলেই বুঝতে পারি না অনেককিছু!

★★
বেশ কিছুদিন আগে লোহিত সাগর পাড়ে গিয়েছিলাম। দুজন মিলে 45 মিনিটে ধরে সুর্যাস্ত দেখেছি! বারবার একটা কথা মনে পড়ছিল দিনের বেলা কি তপ্ততা ছড়ায়, মানুষের শরীর পুড়িয়ে দেবে যেন এমন, এই সুর্যও আল্লাহর নিয়মের কাছে অসহায়! মানুষ কিসের অহংকার করে তবুও? অহংকার আল্লাহর চাদর ভুলে যাওয়া কারোরই উচিৎ না!

পোস্টটি ৫৩ বার পঠিত
 ৩ টি লাইক
২ টি মন্তব্য
২ টি মন্তব্য করা হয়েছে
  1. লেখাটা এডিট করা দরকার মনে হয়।

আপনার মুল্যবান মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.