দাম্পত্যঃ আকর্ষণ বনাম বিকর্ষণ
লিখেছেন সাফওয়ানা জেরিন, আগস্ট ২১, ২০১৫ ১:২২ অপরাহ্ণ
sad_2159966b

 

খুব ভগ্ন হৃদয়ে একটা ইংলিশ আর্টিকেল পড়ছিলাম, আর পাশ্চাত্য সভ্যতার বড় বড় ঘা গুলো উপলব্ধি করছিলাম। নিবন্ধটির নাম- How To Have The “I’m No Longer Attracted To You” Conversation
সম্পর্কগুলো কতোটা ঠুনকো হলে এই ধরণের টপিকে ২০ হাজার মানুষের উপর রিসার্চ করা যেতে পারে তাই ভাবছিলাম। নিবন্ধটির শেষে লেখা ছিল- Have you ever had the “I’m no longer attracted to you” conversation? How did it go?
কতো সহজ ওদের জীবনে এই ধরণের কথোপকথন? গণহারে ব্রেক আপ হয় বলেই তো সংখ্যা জানতে চাওয়া? যে কয়বার এমন অবস্থার শিকার হয়েছেন। 
তারচেয়েও বেশী সহজ হয়তো সঙ্গী বদলে ফেলা! ইদানিং বাংলা সাইটগুলোতে ও দেখা যায় – কখন ব্রেক আপ সৌভাগ্য? কীভাবে ব্রেক আপকে মেনে নিবেন!
যা হোক! গবেষণা প্রতিবেদনের কথা বলছিলাম। 
গবেষকরা বলছেন- সাধারণত সম্পর্কে জড়ানোর পরে মানুষ আকর্ষণ হারায়, কারণ মানুষ ঐ মানুষটির মাঝে অজানা কিছুর আকর্ষণে অন্যকে কাছে পেতে চায়। যখন ঐ মানুষটির সব কিছু জানা হয়ে যায় আকর্ষণ তখনই হারায়। অনেকে বাহ্যত বলে থাকেন যে ওজন বাড়া বা ফ্যাশন স্টাইলের কারনে আকর্ষণ হারায় । কিন্তু যখন এই বিষয়গুলোই আকর্ষণ যোগাতো আগে, তখন সেই একই মানুষের প্রতি বিকর্ষণের কারণ আরও গভীর কিছু। 
যদিও শতকরা ৯০ ভাগ আমেরিকান মনে করেন আকর্ষণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ৮১ ভাগ মনে করেন, আকর্ষণ কমে গেলেও তারা সম্পর্কের ব্যাপারে আরও কথা বলতে চান। ৮৯ ভাগই ভাবেন আকর্ষণের মাত্রা পরিবর্তন হয়, তবে সব সময় তা খারাপ নয়। সঙ্গীর প্রতি নতুন নতুন চাহিদার সৃষ্টি হয়। 
কিন্তু সমস্যা যেটা- সামাজিক সম্পর্কের বলয় মজবুত না হওয়াতে যখন তখন খেয়ালের বশে আকর্ষণ হারিয়ে যাওয়া অবান্তর কিছু নয়। যে সমাজে স্ত্রীর ও বয় ফ্রেন্ড থাকা স্বাভাবিক, স্বামীর গার্ল ফ্রেন্ড থাকাটাও নস্যি! সেই সমাজের কথা বলছি। 
কাপড় চোপর ওজন কিংবা গায়ের রং , আকর্ষণ কমার জন্য যেটাকেই দায়ী করা হোক না কেন, আমার কাছে বড় কারণ মনে হয়- জীবনের লক্ষ্য হীনতা। একজন জীবন সঙ্গী পাশে প্রয়োজন। কেন?
কারণ- তার হাত ধরে অনন্ত জীবনের পুঁজি সঞ্চয় করা যাবে। মৃত্যু পথে তার দিকে চেয়ে শান্তিতে মরা যাবে। মৃত্যুর পরে তাকে কামনা করা যাবে, এই তো!
নিত্য নতুন আকর্ষণের পেছনে, সঙ্গীর পেছনে ধর্না দেওয়া মানুষের জীবনের লক্ষ্য না। এটা পশ্চিমারা জানে না। আমরাও ভুলতে বসেছি।
হাদিসে চুলে কলপ ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। আমার কাছে কারণ হিসেবে মনে হয়েছে- কলপ দিলে মানুষের আসল বয়স ঢাকা পড়ে যায়। যা অন্যকে বিভ্রান্ত করে ফেলতে পারে। এবং নিজের মাঝে ও যৌবনের ভাব ফিরিয়ে আনতে পারে। নিজেকে হটাত টগবগে তরুণ মনে হতে পারে।
ইসলাম চায়- মানুষ পৃথিবীকে একটা সাময়িক আবাস ভাবুক। এবং এই মন বদলের খেলার মেলায় বারবার মন বদল না করে অনন্ত জীবনের দিকে অবিরাম ছুটে চলুক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা ছুটছি ছুটছি, প্রতিদিন ছুটছি। অনন্তের দিকে নয়, পার্থিব লোভ লালসা আর খেয়ালের বশের খুব ভগ্ন হৃদয়ে একটা ইংলিশ আর্টিকেল পড়ছিলাম, আর পাশ্চাত্য সভ্যতার বড় বড় ঘা গুলো উপলব্ধি করছিলাম। নিবন্ধটির নাম- How To Have The “I’m No Longer Attracted To You” Conversation
সম্পর্কগুলো কতোটা ঠুনকো হলে এই ধরণের টপিকে ২০ হাজার মানুষের উপর রিসার্চ করা যেতে পারে তাই ভাবছিলাম। নিবন্ধটির শেষে লেখা ছিল- Have you ever had the “I’m no longer attracted to you” conversation? How did it go?
কতো সহজ ওদের জীবনে এই ধরণের কথোপকথন? গণহারে ব্রেক আপ হয় বলেই তো সংখ্যা জানতে চাওয়া? যে কয়বার এমন অবস্থার শিকার হয়েছেন। 
তারচেয়েও বেশী সহজ হয়তো সঙ্গী বদলে ফেলা! ইদানিং বাংলা সাইটগুলোতে ও দেখা যায় – কখন ব্রেক আপ সৌভাগ্য? কীভাবে ব্রেক আপকে মেনে নিবেন!
যা হোক! গবেষণা প্রতিবেদনের কথা বলছিলাম। 
গবেষকরা বলছেন- সাধারণত সম্পর্কে জড়ানোর পরে মানুষ আকর্ষণ হারায়, কারণ মানুষ ঐ মানুষটির মাঝে অজানা কিছুর আকর্ষণে অন্যকে কাছে পেতে চায়। যখন ঐ মানুষটির সব কিছু জানা হয়ে যায় আকর্ষণ তখনই হারায়। অনেকে বাহ্যত বলে থাকেন যে ওজন বাড়া বা ফ্যাশন স্টাইলের কারনে আকর্ষণ হারায় । কিন্তু যখন এই বিষয়গুলোই আকর্ষণ যোগাতো আগে, তখন সেই একই মানুষের প্রতি বিকর্ষণের কারণ আরও গভীর কিছু। 
যদিও শতকরা ৯০ ভাগ আমেরিকান মনে করেন আকর্ষণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ৮১ ভাগ মনে করেন, আকর্ষণ কমে গেলেও তারা সম্পর্কের ব্যাপারে আরও কথা বলতে চান। ৮৯ ভাগই ভাবেন আকর্ষণের মাত্রা পরিবর্তন হয়, তবে সব সময় তা খারাপ নয়। সঙ্গীর প্রতি নতুন নতুন চাহিদার সৃষ্টি হয়। 
কিন্তু সমস্যা যেটা- সামাজিক সম্পর্কের বলয় মজবুত না হওয়াতে যখন তখন খেয়ালের বশে আকর্ষণ হারিয়ে যাওয়া অবান্তর কিছু নয়। যে সমাজে স্ত্রীর ও বয় ফ্রেন্ড থাকা স্বাভাবিক, স্বামীর গার্ল ফ্রেন্ড থাকাটাও নস্যি! সেই সমাজের কথা বলছি। 
কাপড় চোপর ওজন কিংবা গায়ের রং , আকর্ষণ কমার জন্য যেটাকেই দায়ী করা হোক না কেন, আমার কাছে বড় কারণ মনে হয়- জীবনের লক্ষ্য হীনতা। একজন জীবন সঙ্গী পাশে প্রয়োজন। কেন?
কারণ- তার হাত ধরে অনন্ত জীবনের পুঁজি সঞ্চয় করা যাবে। মৃত্যু পথে তার দিকে চেয়ে শান্তিতে মরা যাবে। মৃত্যুর পরে তাকে কামনা করা যাবে, এই তো!
নিত্য নতুন আকর্ষণের পেছনে, সঙ্গীর পেছনে ধর্না দেওয়া মানুষের জীবনের লক্ষ্য না। এটা পশ্চিমারা জানে না। আমরাও ভুলতে বসেছি।
হাদিসে চুলে কলপ ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। আমার কাছে কারণ হিসেবে মনে হয়েছে- কলপ দিলে মানুষের আসল বয়স ঢাকা পড়ে যায়। যা অন্যকে বিভ্রান্ত করে ফেলতে পারে। এবং নিজের মাঝে ও যৌবনের ভাব ফিরিয়ে আনতে পারে। নিজেকে হটাত টগবগে তরুণ মনে হতে পারে।
ইসলাম চায়- মানুষ পৃথিবীকে একটা সাময়িক আবাস ভাবুক। এবং এই মন বদলের খেলার মেলায় বারবার মন বদল না করে অনন্ত জীবনের দিকে অবিরাম ছুটে চলুক। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা ছুটছি ছুটছি, প্রতিদিন ছুটছি। অনন্তের দিকে নয়, পার্থিব লোভ লালসা আর খেয়ালের বশের আকর্ষণ বিকর্ষণের মাত্রা পরিমাপে
মাত্রা পরিমাপে

পোস্টটি ৫২৩ বার পঠিত
 ০ টি লাইক
১ টি মন্তব্য
একটি মন্তব্য করা হয়েছে
  1. আমার মাঝে মাঝে মনে হয়,স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক টা যখন সামাজিকতার মাঝে আবদ্ধ থাকে তখন সেটা খেই হারায়! প্রতিটা সম্পর্কের ই আলাদা বলয় থাকা উচিত।

আপনার মুল্যবান মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.