শিক্ষকের অপমান এবং প্রকৃতির শাস্তি
লিখেছেন রোমান, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৫ ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
asdfdsfdf

ধর্ম বিশ্বাসে যার যে অবস্থান আলাদা হতে পারে। তাই পরকালিন হিসাব-নিকাশ, ভালো কাজের পুরষ্কার ও অপকর্মের জন্য শাস্তির বিধানটিও কারো নিকট মুখ্য, আবার কারো নিকট গৌণ। হতেই পারে, এ নিয়ে অযথাই তর্কে জড়ানো নিজের কাছে শোভনীয় মনে করি না। তবে Environment punishment বলে যে একটা কথা আছে, তাতে বোধ করি সবার একমত না হয়ে উপায় নাই!
আপনি গাছ কেটে উজাড় করবেন আর বলবেন অক্সিজেন পেতে খুব সমস্যা তা কি করে হয়? পাহার কেটে ঢালু বানিয়ে বাড়ি বানাবেন, অথচ প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করার ফলে আপনি সে পাহাড়ের চিপায় ধ্বংস হবেন না তা তো হয় না! আপনি আপনার পিতার সাথে যে অশোভন আচরণ করছেন, পরবর্তীতে আপনার আদরের সন্তান এর চেয়ে যদি একটু বেশী না’ই করে, তাহলে কি আর সেটা মানায় বলেন? পরিবার ও সমাজ কে যে ভাবে ধোঁকা দিচ্ছেন, এরা কি আপনার থেকে একটুও প্রতিশোধ নেবে না ভাবছেন?
‘শিক্ষক’ সে শুধু কোন একজন ব্যক্তি নন, তারা গোটা জাতির অভিভাবক। অতিব সম্মান, মর্যাদা ও শ্রদ্ধার পাত্র তারা। আমাদের মতো কতো অমানুষকেই না তারা মানুষের মতো মানুষ গরে তোলেন। ওহ সে কি দুঃসাধ্য কাজ! বোধ করি দুনিয়ার সব থেকে কঠিন কাজটি’ই এটি! শাঁস ধাতু থেকে যে “শিক্ষা” অর্থ যদি হয় শাসন করা, তাহলে যিনি শাসন করার অধিকার রাখেন তিনি’ই তো শিক্ষক। অথচ যখন সেই শিক্ষককেই নগ্ন শাস্তি দেওয়া হয়, তখন কি আর বলার অপেক্ষা রাখে ওদের জন্য যে প্রকৃতির ভয়াবহ শাস্তিটি’ই অপেক্ষা করছে! তবে আমরা যদি তা নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে গোটা জাতিকে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে! প্রকৃতি কাওকেই ক্ষমা করেন না!!

পোস্টটি ৩৫৫ বার পঠিত
 ০ টি লাইক
০ টি মন্তব্য

আপনার মুল্যবান মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.